২০২৬-২৭ বিপণন বর্ষে একুয়েডরে ৬ লাখ ৫০ হাজার টনের বেশি কোকো উৎপাদন হতে পারে। এতে দেশটি ঘানাকে ছাড়িয়ে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম কোকো উৎপাদনকারী দেশ হতে যাচ্ছে। একুয়েডরের কোকো রফতানিকারক সংস্থা আনেকাকাওয়ের চেয়ারম্যান ইভান অনতানেদা রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
অনতানেদা বলেন, ‘বছরের পর বছর ধরে একুয়েডরের কোকো উৎপাদন স্থিতিশীলভাবে বেড়েছে। অন্যদিকে ঘানার উৎপাদনে ছিল অস্থিতিশীল পরিবেশ। বিশ্ববাজারে কোকোর দাম বাড়ায় কৃষকরা এক্ষেত্রে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছেন। সরকারি ও বেসরকারি খাত থেকেও সহায়তা দেয়া হচ্ছে। ফলে উৎপাদনশীলতাও বাড়ছে।’
বর্তমানে একুয়েডরে হেক্টরপ্রতি কোকোর উৎপাদন ৮০০ কেজি। পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলোয় এ হার ৫০০ কেজিরও কম।
আনেকাকাও জানিয়েছে, ২০২৫-২৬ বিপণন বর্ষে একুয়েডরের উৎপাদন ৫ লাখ ৭০ হাজার টনের বেশি হতে পারে। ২০৩০ সালের মধ্যে দেশটি আট লাখ টন কোকো উৎপাদনের লক্ষ্যে এগোচ্ছে।